
মো:কামরুল হোসেন সুমন,মনপুরা:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোলার মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। এর অংশ হিসেবে শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মন জয় করতে মাঠে নেমেছেন হেভিওয়েট প্রার্থীরা।
এরই ধারাবাহিকতায়, শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং তাদের খোঁজখবর নিতে দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দির আকস্মিক পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান প্রার্থী মনপুরা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ শাহাদুল ইসলাম শাহিন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি নির্বাচনী এলাকার ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী জ্ঞানদায়িনী মন্দির ও কালীপেয়ারী মন্দির সশরীরে পরিদর্শন করেন। এ সময় মন্দির দুটির পরিচালনা পর্ষদ ও সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতাকর্মীদের সঙ্গে উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মন্দিরের উন্নয়নে নগদ অর্থ অনুদান প্রদান করেন।
মন্দির পরিদর্শনকালে দেওয়া বক্তব্যে শাহাদুল ইসলাম শাহিন কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ বা সাম্প্রদায়িক উসকানি সহ্য করা হবে না। প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং সুদৃঢ় সম্প্রীতির মাধ্যমেই এখানকার মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা হবে।
এ সময় তিনি শুধু পূজামণ্ডপ পরিদর্শনই করেননি, বরং এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত নানা সমস্যা ও সার্বিক উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও ভক্তবৃন্দের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করেন এবং দ্রুত এসব সমস্যা সমাধানের জোরালো প্রতিশ্রুতি দেন।
উক্ত মন্দির পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা ডা. রুহুল আমিন, আব্দুর রহমান হাওলাদার, আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান হাওলাদার, আমিরুল ইসলাম লিটন, ফয়সাল পণ্ডিত ও হারুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান এই নেতার আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকাবাসী ও হাজার খানেক উৎফুল্ল সমর্থক খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মন্দিরাঙ্গনে জড়ো হন। নেতাকর্মীদের এই বিশাল শোডাউন উপস্থিতি পুরো দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের নির্বাচনী রাজনীতিতে এক নতুন উত্তাপ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সম্পাদক ও প্রকাশক 





















