8:41 pm, Tuesday, 22 September 2026

বেলকুচিতে রাতের আঁধারে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ,প্রায় ৬ লক্ষ টাকা ক্ষতির অভিযোগ

মোঃ শহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জঃ

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ, চাওয়া হয়েছে ২ লাখ টাকা—একাধিক সালিশের পরও থামেনি বিরোধ ।

দিনের পর দিন জমি নিয়ে বিরোধ, স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ—তারপরও থামেনি উত্তেজনা। শেষ পর্যন্ত রাতের আঁধারে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ। ছাদ ঢালাইয়ের জন্য শাটারিংয়ের কাজ প্রায় শেষ। এমন সময় ভবনের শাটারিং, দেয়াল ও নির্মাণসামগ্রী ভাঙচুর করে প্রায় ৫ টন রড নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার খাস সোনামুখী এলাকায়।

এ ঘটনায় মো. আব্দুল আউয়াল (৩৫) বাদী হোয়ে মোখলেছুর রহমান (৫০) সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে বেলকুচি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে নির্মাণকাজ চালিয়ে যেতে হলে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করেছেন তিনি।

আব্দুল আউয়ালের অভিযোগ, খাস সোনামুখীতে তাঁর ও অভিযুক্তদের বসতবাড়ির জায়গা পাশাপাশি। পারিবারিক পৈতৃক সম্পত্তির অংশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও বিরোধের স্থায়ী নিষ্পত্তি হয়নি।

তিনি তাঁর দাবি করা অংশের জমিতে তিনতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে একতলা ভবন নির্মাণ শুরু করেন। প্রায় আট মাস ধরে চলছিল নির্মাণকাজ।

অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার রাতে আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্তরা নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে শাটারিংয়ের কাঠ, বাঁশ খুলে ভেঙে ও রড নিয়ে যায়। ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর এমন ঘটনা ঘটায় তাঁর বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ কাজে বাধা দিতে গেলে তাঁকে গালিগালাজ করা হয় এবং ২ লাখ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত ভবনের কাজ করতে দেওয়া হবে না বলে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করেছেন আব্দুল আউয়াল।

ঘটনার নতুন মোড় নিয়ে স্থানীয়দের বক্তব্যেও উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

৯ নম্বর ওয়ার্ড ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল জলিল এবং তার স্ত্রী তিনিও উক্ত ইউনিয়নের মহিলা দলের সভাপতি তাহারা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে উভয় পক্ষকে নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, সমঝোতার মাধ্যমে উভয় পক্ষকে তাঁদের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, ওই সমঝোতার পর আব্দুল আউয়াল প্রায় আট মাস আগে ভবনের কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ সময় নির্মাণকাজ চললেও কোনো বাধা ছিল না। হঠাৎ করে আবারও নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার খবর পান তিনি।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, “দুই পক্ষ আমাদের ডাকলে আমরা দরবার করে মীমাংসা করে দেই , দুই পক্ষই দরবার মেনে নেন,কিন্তু আমরা সেখান থেকে চলে আসার পরই আবার বিল্ডিংয়ের কাছে গিয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আসে।”

প্রতিবেশী কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি জানান, জায়গাটি নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। তাঁদের দাবি, আব্দুল আউয়াল তাঁর বৈধ খাজনা-খারিজ করা জমির অংশেই ভবন নির্মাণ করছিলেন।

তাঁদের ভাষ্য, ভবনের ছাদ নির্মাণের জন্য শাটারিং সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ লোকজন নিয়ে এসে সেটি ভেঙে দেওয়া হয়। শুধু ভাঙচুর নয়, নির্মাণকাজেও এখনও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।

এক প্রতিবেশী বলেন, ভাইদের পৈতৃক সম্পত্তিতে যার যতটুকু প্রাপ্য, সে ততটুকুই পাবে। তাঁর দাবি, আব্দুল আউয়াল তাঁর প্রাপ্য অংশের ওপরই ভবনের কাজ শুরু করেছিলেন বলে তিনি জানেন।

আব্দুল আউয়ালের দাবি, প্রায় আট মাস ধরে চলা নির্মাণকাজে এ পর্যন্ত তাঁর ২৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ভবনের নিচের অংশের কাজ শেষ করে ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছিলেন তিনি।

কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, ছাদ ঢালাইয়ের ঠিক আগমুহূর্তে শাটারিং ও দেয়াল ভেঙে দেওয়ায় নির্মাণকাজ থেমে গেছে।

আব্দুল আউয়াল বলেন, “আমি আমার পৈতৃক সম্পত্তির অংশীদার। বৈধ অংশের ওপরই বাড়ি করছি। এত টাকা খরচ করার পর এখন নির্মাণকাজ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে ক্ষতিপূরণ ও বিচার চাই।”

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সালিশে যদি জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে আবার কেন নির্মাণকাজে বাধা?

জমির মালিকানা বা দখল নিয়ে আপত্তি থাকলে আইনগত প্রক্রিয়ায় না গিয়ে নির্মাণাধীন ভবন ভাঙার অভিযোগ কেন উঠল?

ছাদ ঢালাইয়ের ঠিক আগমুহূর্তে শাটারিং ভাঙার পেছনে উদ্দেশ্যই বা কী?

আর সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ—২ লাখ টাকা না দিলে নির্মাণকাজ করতে দেওয়া হবে না—এমন দাবি সত্য হলে এর সঙ্গে কারা জড়িত?

এসব প্রশ্নের উত্তর এখন নিরপেক্ষ তদন্তের ওপরই নির্ভর করছে।

তদন্তেই বেরিয়ে আসবে প্রকৃত ঘটনা

ভুক্তভোগীর দাবি, স্থানীয় সালিশে সমাধানের চেষ্টা করেও বিরোধের অবসান হয়নি। অন্যদিকে স্থানীয়দের ভাষ্যেও একাধিকবার সালিশ হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। ফলে ঘটনাটি কেবল পারিবারিক জমি বিরোধ, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ঘটনায় আব্দুল আউয়ালের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা ও দায়ীদের শনাক্ত করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

অভিযোগে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক পরিচিতি

জনপ্রিয় পোস্ট

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ: ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনে হয়রানী ও বৈষম্যের প্রতিবাদে চার মৌজাবাসীর মানববন্ধন

বেলকুচিতে রাতের আঁধারে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ,প্রায় ৬ লক্ষ টাকা ক্ষতির অভিযোগ

আপডেটের সময় : 08:51:34 am, Monday, 14 September 2026

মোঃ শহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জঃ

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ, চাওয়া হয়েছে ২ লাখ টাকা—একাধিক সালিশের পরও থামেনি বিরোধ ।

দিনের পর দিন জমি নিয়ে বিরোধ, স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ—তারপরও থামেনি উত্তেজনা। শেষ পর্যন্ত রাতের আঁধারে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ। ছাদ ঢালাইয়ের জন্য শাটারিংয়ের কাজ প্রায় শেষ। এমন সময় ভবনের শাটারিং, দেয়াল ও নির্মাণসামগ্রী ভাঙচুর করে প্রায় ৫ টন রড নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার খাস সোনামুখী এলাকায়।

এ ঘটনায় মো. আব্দুল আউয়াল (৩৫) বাদী হোয়ে মোখলেছুর রহমান (৫০) সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে বেলকুচি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে নির্মাণকাজ চালিয়ে যেতে হলে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও করেছেন তিনি।

আব্দুল আউয়ালের অভিযোগ, খাস সোনামুখীতে তাঁর ও অভিযুক্তদের বসতবাড়ির জায়গা পাশাপাশি। পারিবারিক পৈতৃক সম্পত্তির অংশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও বিরোধের স্থায়ী নিষ্পত্তি হয়নি।

তিনি তাঁর দাবি করা অংশের জমিতে তিনতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে একতলা ভবন নির্মাণ শুরু করেন। প্রায় আট মাস ধরে চলছিল নির্মাণকাজ।

অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার রাতে আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্তরা নির্মাণাধীন ভবনে গিয়ে শাটারিংয়ের কাঠ, বাঁশ খুলে ভেঙে ও রড নিয়ে যায়। ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর এমন ঘটনা ঘটায় তাঁর বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ কাজে বাধা দিতে গেলে তাঁকে গালিগালাজ করা হয় এবং ২ লাখ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত ভবনের কাজ করতে দেওয়া হবে না বলে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করেছেন আব্দুল আউয়াল।

ঘটনার নতুন মোড় নিয়ে স্থানীয়দের বক্তব্যেও উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

৯ নম্বর ওয়ার্ড ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল জলিল এবং তার স্ত্রী তিনিও উক্ত ইউনিয়নের মহিলা দলের সভাপতি তাহারা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে উভয় পক্ষকে নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, সমঝোতার মাধ্যমে উভয় পক্ষকে তাঁদের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, ওই সমঝোতার পর আব্দুল আউয়াল প্রায় আট মাস আগে ভবনের কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ সময় নির্মাণকাজ চললেও কোনো বাধা ছিল না। হঠাৎ করে আবারও নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার খবর পান তিনি।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, “দুই পক্ষ আমাদের ডাকলে আমরা দরবার করে মীমাংসা করে দেই , দুই পক্ষই দরবার মেনে নেন,কিন্তু আমরা সেখান থেকে চলে আসার পরই আবার বিল্ডিংয়ের কাছে গিয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আসে।”

প্রতিবেশী কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি জানান, জায়গাটি নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। তাঁদের দাবি, আব্দুল আউয়াল তাঁর বৈধ খাজনা-খারিজ করা জমির অংশেই ভবন নির্মাণ করছিলেন।

তাঁদের ভাষ্য, ভবনের ছাদ নির্মাণের জন্য শাটারিং সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ লোকজন নিয়ে এসে সেটি ভেঙে দেওয়া হয়। শুধু ভাঙচুর নয়, নির্মাণকাজেও এখনও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।

এক প্রতিবেশী বলেন, ভাইদের পৈতৃক সম্পত্তিতে যার যতটুকু প্রাপ্য, সে ততটুকুই পাবে। তাঁর দাবি, আব্দুল আউয়াল তাঁর প্রাপ্য অংশের ওপরই ভবনের কাজ শুরু করেছিলেন বলে তিনি জানেন।

আব্দুল আউয়ালের দাবি, প্রায় আট মাস ধরে চলা নির্মাণকাজে এ পর্যন্ত তাঁর ২৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ভবনের নিচের অংশের কাজ শেষ করে ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছিলেন তিনি।

কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, ছাদ ঢালাইয়ের ঠিক আগমুহূর্তে শাটারিং ও দেয়াল ভেঙে দেওয়ায় নির্মাণকাজ থেমে গেছে।

আব্দুল আউয়াল বলেন, “আমি আমার পৈতৃক সম্পত্তির অংশীদার। বৈধ অংশের ওপরই বাড়ি করছি। এত টাকা খরচ করার পর এখন নির্মাণকাজ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে ক্ষতিপূরণ ও বিচার চাই।”

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সালিশে যদি জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে আবার কেন নির্মাণকাজে বাধা?

জমির মালিকানা বা দখল নিয়ে আপত্তি থাকলে আইনগত প্রক্রিয়ায় না গিয়ে নির্মাণাধীন ভবন ভাঙার অভিযোগ কেন উঠল?

ছাদ ঢালাইয়ের ঠিক আগমুহূর্তে শাটারিং ভাঙার পেছনে উদ্দেশ্যই বা কী?

আর সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ—২ লাখ টাকা না দিলে নির্মাণকাজ করতে দেওয়া হবে না—এমন দাবি সত্য হলে এর সঙ্গে কারা জড়িত?

এসব প্রশ্নের উত্তর এখন নিরপেক্ষ তদন্তের ওপরই নির্ভর করছে।

তদন্তেই বেরিয়ে আসবে প্রকৃত ঘটনা

ভুক্তভোগীর দাবি, স্থানীয় সালিশে সমাধানের চেষ্টা করেও বিরোধের অবসান হয়নি। অন্যদিকে স্থানীয়দের ভাষ্যেও একাধিকবার সালিশ হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। ফলে ঘটনাটি কেবল পারিবারিক জমি বিরোধ, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ঘটনায় আব্দুল আউয়ালের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা ও দায়ীদের শনাক্ত করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

অভিযোগে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।