9:06 pm, Tuesday, 22 September 2026

শ্রীনগরে প্রথম স্ত্রীকে রেখে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে পুনরায় পলাতক নুরু আলম

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী:
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া গ্রামের রফিজ হাওলাদারের তৃতীয় পুত্র ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরিরত অবস্থায় তার সহকর্মী রুমি কে বিয়ে করেন।
বিয়ের কয়েক বছর পর তাদের একমাত্র কন্যা নাবিলা মুনতাহ জন্ম হয় ।
ঢাকায় একটি ছোট্ট বাসা ভাড়া করে তাদের তিনজনের সংসার সুন্দর ভাবে চলছিল ।
গত তিন মাস পূর্বে একই গার্মেন্টসের সাবিনা নামক এক সহকর্মীরপরকীয়া প্রেমে পড়ে নুর আলম ।
স্ত্রী স্বামীর পরকীয়া প্রেম বুঝার আগেই নুর আলম সাবিনা কে নিয়ে ঢাকা শহর হতে উধাও হয়ে যান ।
রুমি ঢাকা শহরে বিভিন্ন এলাকা খোঁজার পরও স্বামীকে খুঁজে না পেয়ে ১৪ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ স্বামী গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন ।
এসে জানতে পারেন তার স্বামী নুর আলম সাবিনাকে দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ভাড়া বাড়িতে উঠেছেন ।
তিনি তার স্বামীর ভাড়া বাড়িতে প্রবেশ করার পর নুর আলমের দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিনা প্রথম স্ত্রী রুমি কে শারীরিক নির্যাতন করলে এলাকাবাসী নুরু আলমের পরকীয়ারপ্রেমের সংবাদটি জানতে পারেন ।
এদিন বিকালে পারিবারিক ভাবে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একটি সুষ্ঠ সমাধানের উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হলে ঘটনাটি বাঘড়া পুলিশ ফাঁড়িকে অবগত করা হয় ।
পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ শ্রী গনেশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষর সাথে সালিশি বৈঠকে মিলিত হন ।
উক্ত বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মিলেমিশে ঘর সংসার করবেন বলে তারা উভয়ই মৌখিকভাবে অঙ্গীকার করেন ।
দু দিন তাদের সংসার সুন্দরভাবে চলার পর
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকালে নুর আলম তার দ্বিতীয় স্ত্রী সবিনাকে নিয়ে পুনরায় উধাও হয়ে যায়।
নুর আলমের প্রথম স্ত্রী রুমি এ সংবাদটি বাঘড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শ্রী গনেশকে অবগত করে কার সহযোগিতা চাইলে এসআই শ্রী গণেশ রুমি কে সকল প্রকার আইনগত সহযোগিতাদেবেন বলে আশ্বাস করেন ।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক পরিচিতি

জনপ্রিয় পোস্ট

দুপচাঁচিয়ায় যুবদলের ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

শ্রীনগরে প্রথম স্ত্রীকে রেখে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে পুনরায় পলাতক নুরু আলম

আপডেটের সময় : 04:04:54 am, Thursday, 17 September 2026

আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী:
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া গ্রামের রফিজ হাওলাদারের তৃতীয় পুত্র ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরিরত অবস্থায় তার সহকর্মী রুমি কে বিয়ে করেন।
বিয়ের কয়েক বছর পর তাদের একমাত্র কন্যা নাবিলা মুনতাহ জন্ম হয় ।
ঢাকায় একটি ছোট্ট বাসা ভাড়া করে তাদের তিনজনের সংসার সুন্দর ভাবে চলছিল ।
গত তিন মাস পূর্বে একই গার্মেন্টসের সাবিনা নামক এক সহকর্মীরপরকীয়া প্রেমে পড়ে নুর আলম ।
স্ত্রী স্বামীর পরকীয়া প্রেম বুঝার আগেই নুর আলম সাবিনা কে নিয়ে ঢাকা শহর হতে উধাও হয়ে যান ।
রুমি ঢাকা শহরে বিভিন্ন এলাকা খোঁজার পরও স্বামীকে খুঁজে না পেয়ে ১৪ ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ স্বামী গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন ।
এসে জানতে পারেন তার স্বামী নুর আলম সাবিনাকে দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ভাড়া বাড়িতে উঠেছেন ।
তিনি তার স্বামীর ভাড়া বাড়িতে প্রবেশ করার পর নুর আলমের দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিনা প্রথম স্ত্রী রুমি কে শারীরিক নির্যাতন করলে এলাকাবাসী নুরু আলমের পরকীয়ারপ্রেমের সংবাদটি জানতে পারেন ।
এদিন বিকালে পারিবারিক ভাবে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একটি সুষ্ঠ সমাধানের উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হলে ঘটনাটি বাঘড়া পুলিশ ফাঁড়িকে অবগত করা হয় ।
পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ শ্রী গনেশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষর সাথে সালিশি বৈঠকে মিলিত হন ।
উক্ত বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মিলেমিশে ঘর সংসার করবেন বলে তারা উভয়ই মৌখিকভাবে অঙ্গীকার করেন ।
দু দিন তাদের সংসার সুন্দরভাবে চলার পর
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকালে নুর আলম তার দ্বিতীয় স্ত্রী সবিনাকে নিয়ে পুনরায় উধাও হয়ে যায়।
নুর আলমের প্রথম স্ত্রী রুমি এ সংবাদটি বাঘড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শ্রী গনেশকে অবগত করে কার সহযোগিতা চাইলে এসআই শ্রী গণেশ রুমি কে সকল প্রকার আইনগত সহযোগিতাদেবেন বলে আশ্বাস করেন ।