7:24 pm, Tuesday, 22 September 2026

মহিপুুরে কারিতাসের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় চারাগাছ বিতরণ

মিজানুর রহমান রিপন:কলাপাড়া (পটুয়াখালী):

কারিতাস বাংলাদেশ, বরিশাল অঞ্চলের অধীনে এ্যাকরাব প্রকল্পের মাধ্যমে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ মহিপুর থানার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরন করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার সময় মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজে কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের অধীনে এ্যাকরাব প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ কালিম মাহমুদ, কর্মসূচি কর্মকর্তা ডি এম কারিতাস বরিশাল অঞ্চল মি. সম্রাট সেরাও, কলাপাড়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আশ্রাফ আলী, মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক চঞ্চল সাহা, মহিপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান মো:ইব্রাহিম খান, জুনিয়র কর্মসূচী কর্মকর্তা কারিতাস (ধরিত্রী ও এ্যাকরাব প্রকল্প) মি. জর্জ বৈরাগী,কুয়াকাটা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মিজানুর রহমান রিপন সহ মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক বৃন্দ ও কারিতাসের কর্মকর্তা বৃন্দ ।

কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের অধীনে বাস্তবায়নাধীন “বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পরিবেশবান্ধব কৃষি (এগ্রো-ইকোলজি) চর্চার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অভিযোজন কৌশল বৃদ্ধিতে সক্ষমতা অর্জন (এ্যাকরাব )” প্রকল্পের আওতায় কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ও লতাচাপলী ইউনিয়নের উপকারভোগীদের ও স্থানীয় স্কুল এবং কলেজে গ্রাম পর্যায়ে বনায়ন (জলবায়ু প্রশমন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ) নিশ্চিত করতে সর্বমোট ৪,০৫০টি বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ বিতরণ করা হয় ।

মহিপুর ও লতাচাপলী ইউনিয়নের মোট ০৭ টি স্কুল ও ০১ টি কলেজে মোট ৩৫০টি চারাগাছ বিতরণ করা হয় ।
এছাড়া এ্যাকরাব প্রকল্পের মোট ২০টি কৃষক মাঠ স্কুলের মোট ৩৭০টি উপকারভোগীদের মোট ৩৭০০টি  চারাগাছ বিতরণ করা হয়, প্রত্যেককে ১০ টি করে চারাগাছ দেওয়া হয় যার মধ্যে ছিল (আম রূপালী, কাঁঠাল, মেহুগনি, সুপারি, জলপাই, আমলকি) ।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক পরিচিতি

জনপ্রিয় পোস্ট

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ: ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনে হয়রানী ও বৈষম্যের প্রতিবাদে চার মৌজাবাসীর মানববন্ধন

মহিপুুরে কারিতাসের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় চারাগাছ বিতরণ

আপডেটের সময় : 03:20:49 pm, Monday, 21 September 2026

মিজানুর রহমান রিপন:কলাপাড়া (পটুয়াখালী):

কারিতাস বাংলাদেশ, বরিশাল অঞ্চলের অধীনে এ্যাকরাব প্রকল্পের মাধ্যমে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ মহিপুর থানার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরন করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার সময় মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজে কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের অধীনে এ্যাকরাব প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ কালিম মাহমুদ, কর্মসূচি কর্মকর্তা ডি এম কারিতাস বরিশাল অঞ্চল মি. সম্রাট সেরাও, কলাপাড়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আশ্রাফ আলী, মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক চঞ্চল সাহা, মহিপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান মো:ইব্রাহিম খান, জুনিয়র কর্মসূচী কর্মকর্তা কারিতাস (ধরিত্রী ও এ্যাকরাব প্রকল্প) মি. জর্জ বৈরাগী,কুয়াকাটা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মিজানুর রহমান রিপন সহ মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক বৃন্দ ও কারিতাসের কর্মকর্তা বৃন্দ ।

কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের অধীনে বাস্তবায়নাধীন “বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পরিবেশবান্ধব কৃষি (এগ্রো-ইকোলজি) চর্চার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অভিযোজন কৌশল বৃদ্ধিতে সক্ষমতা অর্জন (এ্যাকরাব )” প্রকল্পের আওতায় কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ও লতাচাপলী ইউনিয়নের উপকারভোগীদের ও স্থানীয় স্কুল এবং কলেজে গ্রাম পর্যায়ে বনায়ন (জলবায়ু প্রশমন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ) নিশ্চিত করতে সর্বমোট ৪,০৫০টি বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ বিতরণ করা হয় ।

মহিপুর ও লতাচাপলী ইউনিয়নের মোট ০৭ টি স্কুল ও ০১ টি কলেজে মোট ৩৫০টি চারাগাছ বিতরণ করা হয় ।
এছাড়া এ্যাকরাব প্রকল্পের মোট ২০টি কৃষক মাঠ স্কুলের মোট ৩৭০টি উপকারভোগীদের মোট ৩৭০০টি  চারাগাছ বিতরণ করা হয়, প্রত্যেককে ১০ টি করে চারাগাছ দেওয়া হয় যার মধ্যে ছিল (আম রূপালী, কাঁঠাল, মেহুগনি, সুপারি, জলপাই, আমলকি) ।