
আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী:
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন বাজার,মার্কেট ও সড়কের ফুটপাতে ভোর হতে
সকাল দশটা পর্যন্ত ভাসমান দোকানেএসব শাহি হালুয়া ও রুটি বিক্রি হচ্ছে।
শাহী রুটি ও হালুয়ার ক্রেতা হচ্ছেন রাস্তায় ভাসমান কর্মরত শ্রমজীবী,রিক্সা ,অটো রিকশা চালক ,রাস্তার পাশে অবস্থিত বাজার মার্কেট দোকানের দোকানী।
শাহী হালুয়া রুটি বিক্রেতা মনির জানান ,তিনি প্রতিদিন ভোর রাতে তার নিজ বাসভবনে এ শাহী রুটি ও হালুয়া তৈয়ার করেন।
হালুয়া রুটি তৈরি করার পর ভোরে এ নাস্তা নিজভ্যানে তুলে লালসালু দিয়ে ঢেকে তা বিক্রির জন্য ঘর হতে বের হন ।
সকাল দশটার মধ্যেই তার শাহী নাস্তা বিক্রি শেষ হয় ।
তিনি জানান ,এ নাস্তা কেজি হিসেবে বিক্রি করা হয় ।
প্রতি কেজির দাম একশত টাকা ।যার যতটুকু প্রয়োজন ।
সে পরিমাণ নাস্তা তিনি মেপে কাগজে পেঁচিয়ে ক্রেতাদের হাতে তুলে দেন ।
তার নিজ হাত অপরিষ্কার এছাড়া ফুটপাত ধুলাবালি, অপরিষ্কার কাগজে তিনি ক্রেতাদের এ নাস্তা তুলে দিচ্ছেন ।
এ নাস্তা কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত তা জানতে চাইলে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেন ।
ক্রেতা সুমনএ প্রতিনিধিকে জানান ,তিনি একজন শ্রমজীবী প্রতিদিন কাজের সন্ধানে খুব ভোরে ঘর হতে বের হন নাস্তা না খেয়ে।
এছাড়া তিনি একজন স্বল্প আয়ের শ্রমিক রেস্তোরা গুলিতে নাস্তা খেতে প্রচুর টাকা প্রয়োজন।
সে তুলনায় ফুটপাতে শাহীহালুয়া রুটির দাম কম হওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই তিনি এ ভাসমান দোকান হতে নাস্তা হিসেবে শাহীরুটি হালুয়া ক্রয় করে থাকেন ।এ নাস্তা স্বাস্থ্যসম্মত কিনা তা তার জানা নেই।
চিকিৎসক জামাল উদ্দিন জানান ,ফুটপাতে ধুলাবালি মিশ্রিত অস্বাস্থ্যসম্মত এসব নাস্তা খাওয়ার ফলে ক্রেতাদের ডায়রিয়া, আমাশয় জন্ডিস ,এলার্জি সহ বিভিন্ন প্রকার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ফুটপাতের এ শাহী নাস্তা না খাওয়াই সর্বোত্তম বলে তিনি মনে করেন।