
কালিগঞ্জ ব্যুরোঃ
দৈনিক দৃষ্টিপাতে নিউজ প্রকাশ ও অভিযোগের জেরে কালিগঞ্জের সেই বহু অপকর্মের হোতা বিতর্কিত প্রধান শিক্ষক আমির খসরুর বিরুদ্ধে তদন্তে মাঠে নেমেছে জেলা শিক্ষা অফিস। সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ছনকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সেই বিতর্কিত প্রধান শিক্ষক আমির খসরুর বিরুদ্ধে তদন্তে এবার মাঠে নেমেছে জেলা শিক্ষা অফিস।দীর্ঘদিনের স্বেচ্ছাচারিতায় ও এক গুয়েমী,স্বজন প্রীতি,নিজের অপকর্মকে ঢাকতে এবং সেভ এক্সিট পেতে,স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সময় অভিভাবকদের লিখিত প্রচার বা কাউন্সিলিং কোনটাই না করিয়ে সার্বজনীনভাবে না জানিয়ে একাধিকবার নিজের পকেট কমিটি তৈরি করা,ডিগ্রী পাস না হওয়ার সত্ত্বেও তার ফুপাতো ভাইকে একাধিকবার সভাপতি বানানো,শিক্ষা মন্ত্রায়লার একাধিক প্রজ্ঞাপনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের মনগড়া কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সহ,স্কুল চলাকালীন সময়ে উপজেলার এসে বিভিন্ন চায়ের দোকানে আড্ডা,জিজ্ঞাসা করলে শনিবারেও উপজেলা শিক্ষা অফিস বন্ধ থাকা সত্ত্বেও বলে শিক্ষা অফিসে ডাকছে সব মিলিয়ে নানাবিদ
অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের তীব্র খোভ দিনে দিনে তুষের আগুনের মত প্রচলিত হয়ে উঠেছে।,তদন্তের স্থলে তদন্ত কর্মকর্তার মুখ দিয়েই অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত।জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসর বরাবর উক্ত স্কুলের অভিভাবক মন্ডলীর পক্ষে অভিভাবক শেখ আতাউর রহমান উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষামন্ত্রালয়ের প্রজ্ঞাপনকে উপেক্ষা করে প্রথম সামরিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জন প্রতি ৩০ টাকা করে উত্তোলন করে এবং আত্মসাৎ করে সহ একাধিক অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।জেলা শিক্ষক অফিস উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে উক্ত তদন্তের কার্যক্রম পরিচালনা করে এ রিপোর্ট জেলা শিক্ষক অফিসার কে অভিহিত করার জন্য জানানো হয় উক্ত পত্রে।উক্ত পত্র জারির সাত কর্ম দিবসের ভিতরে ২২/৭/২৬ খ্রিষ্টাব্দ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জ্যোতি রায় স্বাক্ষরিত একটি পত্র বাদী-বিবাদী বিরুদ্ধে জারি করা হয়।সে মোতাবেক ২৭/৬/২০২৬ বিদ্যালয় এর অফিস কক্ষে কার্যক্রম পরিচালনা হয়। প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা জ্যোতি শংকর রায়ের সহকারী হিসেবে ছিলেন সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আবু সেলিম ও এটি ও মোহাম্মদ রাকিব হাসান।তদন্ত চলাকালীন একাধিক অবিভাবক তাদের বক্তব্যে উক্ত অনিয়মের বিষয় গুলো তুলে ধরেন এবং তদন্ত কর্মকর্তার নিকট লিখিত পেশ করেন। বিধি বাম দীর্ঘদিনের একগুয়েমী ও অনিয়মের বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জনসম্পুকে সবার সামনে উক্ত বিষয় স্বীকারও করেন। সবার মুখে একটাই কথা ওখানে শুনতে পাওয়া যায় দুর্নীতিবাজ ও অনিয়মকারী প্রধান শিক্ষক এই স্কুল থেকে বদলী করে অন্যত্রে পাঠিয়ে দেওয়া।তদন্ত কর্মকর্তা তাদের বক্তব্যে প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের বিষয় বলি সত্য প্রমাণিত হয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। এদিকে উপস্থিত অভিভাবক শেখ আতাউর রহমান মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোঃ নাজিম উদ্দিন,শেখ তদবির আলম আবু রায়হান,শেখ কেরামত আলী,শেয়খ আমজাদ হোসেন,শেখ আব্দুল্লাহ,শেখ হিমেল সহএলাকাবাসী, অভিভাবক,জমি দাতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিনে ঘটে যাওয়া একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন অবিলম্বে এখান থেকে বদলি করে অন্যত্রে পাঠানো সহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানান। তা না হলে দীর্ঘদিনের খোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তারা ভিন্ন আন্দোলনের পথে ধাবিত হবে বলে উপস্থিত সকলের সামনে মতামত ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেখ শফিকুল ইসলাম শফি,মোস্তাহিদুর রহমান লিটন,ও বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ লুৎফর সহ প্রিন্টু ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। তদন্ত কার্য শেষে সহকারি শিক্ষা অফিসার ও সাবক্লাস্টার মোঃ রাকিব হাসান দৈনিক দৃষ্টিপাত কে জানায় অভিযোগের মূল বিষয়বস্তু ও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নিজে মুখে স্বীকার করেছেন আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসেই রিপোর্ট প্রেরণ করব, অভিভাবকবৃন্দদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ছবিঃ কালীগঞ্জের সেই দুর্নীতিবাজ ও স্বেচ্ছাচারিতা সহ একাধিক অপকর্মের হোতা সেই বিতর্কিত শিক্ষাক আমির খসরুর বিরুদ্ধে তদন্তের জেলা শিক্ষা অফিসের প্রতিনিধি দল।
কালিগঞ্জ ব্যুরো শেখ শরিফুল ইসলাম ০১৭৮০৫৬০৯৬০।